সাদুল্লাপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তির নামে চাল উত্তোলন করে আত্বসাতের অভিযোগ 

সাদুল্লাপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তির নামে চাল উত্তোলন করে আত্বসাতের অভিযোগ 
ছবিঃ সংগৃহীত

সাদুল্লাপুর প্রতিনিধি।। গাইবান্ধা।। সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ভিজিডি কার্ডধারী মেরিনা বেগম নামের এক মৃত ব্যক্তির নামে চাল উত্তোলন করে আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ওই ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন সরকারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।


এই অভিযোগের বিবরণে উল্লেখ করা হয়, বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের স্ত্রী মেরিনা বেগমের নামে একটি ভিজিডি কার্ড ছিল। এর সুবিধা গ্রহণকালে গত ১০ মে মেরিনা বেগম মারা যায়। এরপর চেয়ারম্যান শাহীন সরকার কর্তৃক মেরিনা বেগমের নামে মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ সনদপত্র প্রদান করে। তার মৃত্যুতে এমন সনদপত্র দেওয়া হলেও, ভিজিডির মাসিক ৩০ কেজি চাল উত্তোলন থেমে থাকেনি। মেরিনার মৃত্যুর পরও পর্যায়ক্রমে ৬ মাসে মোট ১৮০ কেজি চাল উত্তোলন করে আত্নসাৎ করে চেয়ারম্যান শাহীন সরকার। এইসব চাল আত্নসাতের ঘটনাটি পরিষদসহ অন্যান্য ব্যক্তিগণ জানতে পেরে তাদের মাঝে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগপত্র দায়ের করা হয়।
এসব ঘটনা অস্বীকার করে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহীন সরকার বলেন, কোন সুবিধাভোগি মারা গেলে সেটি পরিষদে অবগত করবেন ইউপি সদস্য। কিন্তু ভিজিডি কার্ডধারী মেরিনা বেগম মারা গেছে তা আমাকে জানানো হয়নি। এছাড়া মেরিনার নামে মৃত্যু কিংবা ওয়ারিশ সনদপত্র প্রদান করা হয়নি।
এদিকে, ইউপির ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য শহিদুর রহমান শহীদ জানান, কোন ওয়ার্ডের বাসিন্দা মারা গেলে এই তথ্য পরিষদে জানাবেন গ্রামপুলিশ। তিনি আরও বলেন, মৃত্যু মেরিনা বেগমের ছেলের ওয়ারিশ সনদে আমি স্বাক্ষর করেছি। আর প্রতিস্বাক্ষর করেছেন চেয়ারম্যান।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রোকসানা বেগম জানান, অভিযোগ পত্রটি এখনো দেখা হয়নি। দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।