স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সফল চেয়ারম্যান আঃবারেক তালুকদার।

স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সফল চেয়ারম্যান আঃবারেক তালুকদার।
ছবিঃ সংগৃহীত

মোঃমাজহারুল ইসলাম মলি, গলাচিপা, পটুয়াখালী।। ২১ মার্চ, রবিবার।।১১ই এপ্রিল প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২১।বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার ০৩ নং আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে  অংশগ্রহণ করবেন ০৩ নং আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সাবেক সফল স্বনামধন্য চেয়ারম্যান ,সহকারী কমান্ডার, পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড।প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ,আমতলী উপজেলা শাখা।সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ, ০৩ নং আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন,উন্নয়ন এর রূপকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃআঃবারেক তালুকদার। দেশের জন্য যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেও দেশের ভাগ্য বদলিয়েছেন কিন্তু  তার ভাগ্য বদলায়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন এই মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু তিনি নৌকা প্রতিক পেলেন না নৌকার মনোনয়ন পেলেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে যারা জড়িত, আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ সম্পাদক মোঃহারুন অর রশীদ। বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃবারেক তালুকদার বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে, বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্য হন পটুয়াখালী আদর্শ হাই স্কুলের ১৯৬৯ সালে।এখান থেকে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ০৭ ই মার্চের ভাষণের পর নির্দেশ মোতাবেক পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার আলতাফ হায়দার এর সাথে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং অস্ত্র সহ গ্রুপ কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।ডেউলি,বোকাবুনিয়া,বেতাগী,বাবনা,পিরোজপুর, আমুয়া,বরগুনা  এবং পরবর্তীতে পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার, বর্তমান নির্বাচন কমিশন এর প্রধান সিইসি কেম এম নুরুল হুদার সাথে সরকারি বালিকা বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং তার বিভিন্ন দিকনির্দেশনা পালন করেন।তার মুক্তি বার্তা নং০৬০৩০১০০৯০,গ্রেজেট নং৮৪।১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার প্রতিবাদে বিভিন্ন জেলা উপজেলায় প্রতিবাদ,হত্যাকরীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী ও কালো ব্যাচ ধারন করেন।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, বরগুনা -৩(আমতলী -তালতলী)থেকে নির্বাচন করার সময় তারপক্ষে কাজ করেন বিধায় আঠারো গাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর সোনাখালী কেন্দ্র  থেকে সেনাবাহিনী তাকে ধাওয়া করেন এবং নদীতে ঝাপ দিয়ে জীবন রক্ষা করেন।বিভিন্ন মামলা হামলার স্বীকার হন।বিএনপি জামাত জোট সরকারের বিরোধী আন্দোলন করায়  তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী তাকে বিএনপিতে যোগদানের প্রস্তাব করেন,তিনি যোগ দিতে অস্বীকার করেন বিধায় যৌথবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।নৌকা মার্কার গেঞ্জি গায়ে থাকায় তাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে জেলহাজতে প্রেরন করে এবং ডিটেনশন দেন।নির্বাচনের বিষয়ে তিনি গণমাধ্যম কে জানান,আঠারোগাছিয়ার ঐতিহ্যবাহী তালুকদার বাড়িতে আমার জন্ম।পারিবারিক ভাবে জনসেবা, মানবকল্যান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে  বহুযুগ আগে থেকেই আমাদের পরিবারের লোকজন জড়িত। আমি এই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছি এবং উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ নয় মাস জীবন বাজি রেখে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে স্বাধীন করি।১৯৬৯ সাল থেকে  বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের পটুয়াখালী আদর্শ হাইস্কুলের সদস্য থেকে শুরু করে দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত আওয়মিলীগ ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।আওয়ামিলীগকে বুকে ধারন করে নৌকার জন্য বহুবার মামলা -হামলা ও জেল খেটেছি।দলের জন্য জীবন যৌবনে অনেক ত্যাগ করেছি কিন্তু কোনদিন দল পাল্টাইনি।বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা ছিল যে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে  মূল্যায়ন করবেন তাই দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলাম। আশা ছিল নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার।একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেন নি কেন তা জানা নেই, নৌকা প্রতিক পান মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি, দেশের শত্রু,বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে যারা জড়িত আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ ।বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শের সৈনিক হিসেবে, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চোখের সামনে এগুলো দেখতে হবে কল্পনা করিনি কখনও।স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে নৌকার মনোনয়ন দেয়ায় একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সিদ্ধান্ত নেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার।১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছি যুদ্ধ করে, আর জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আরেকটা যুদ্ধ করে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন কে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির হাত থেকে রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। এ যুদ্ধ ভোটের, এ যুদ্ধ জনতার,এ যুদ্ধ নির্বাচনের। জনগনের সেবক হতে চাই শোষক নয়, স্বাধীনতার পক্ষে ছিলাম কখনো বিপক্ষে নয়।১১ই এপ্রিল ভোটের মধ্যে দিয়ে আঠারো গাছিয়া ইউনিয়নের জনগন  দেখিয়ে দিবে কে বা কারা প্রকৃত আওয়ামী লীগের, স্বাধীনতার পক্ষের, নৌকার লোক ইনশাআল্লাহ। আঠারো গাছিয়া ইউনিয়ন বাসী আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে পরাজিত করার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ইনশাআল্লাহ জয়ী করবেন।সকলে ভাল থাকবেন আর আপনাদের বিবেককে প্রশ্ন করে ভোট দিবেন কে ভোট পাওয়ার যোগ্য?কে প্রকৃত আওয়ামিলীগ?কে কা কারা স্বাধীনতার পক্ষে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।