সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা প্রশস্তকরণে লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির অনীহা

সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা প্রশস্তকরণে লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির অনীহা
ছবিঃ সংগৃহীত

এস এম আওলাদ হোসেন,লক্ষ্মীপুর।।হঠাৎ করে জেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রশস্তকরণে অনীহা প্রকাশ করেছেন লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে নতুন করে নানা দাবী তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তারা।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এসব দাবী তোলা হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বণিক সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ।

বক্তব্যে জানানো হয়, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার অধীনে লক্ষ্মীপুর বাজারের উত্তর তেমুহনী থেকে দক্ষিন তেমুহনী পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্তকরণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। বিগত ৫ নভেম্বর তারিখে ৩৮৮/১/(১৬) স্বারক নং এর নোটিশের আলোকে বিষয়টি অবগত হন ব্যবসায়ী, দোকান মালিক ও ভূমি মালিকরা। এতে করে শহরে অবস্থিত বেশীর ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকান পাট, এন সি সি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংকসহ ৬টি ব্যাংকসহ বিভিন্ন অফিসের বিল্ডিং ভাংচুরের সম্মুখীন হবে।

গুরুত্বপূর্ণ অফিসগুলো শহরের বাইরে চলে যাবে। এতে করে অধিকাংশ ব্যবসায়ী ও ভূমির মালিকগণ ক্ষতির শিকার হবে। জন দূর্ভোগ সৃষ্টি হবে। তাছাড়া সমানতালে দুই পাশে না বাড়িয়ে একপাশে বেশী চাপিয়ে পরিমাপ করায় কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি স্বার্থ হাসিল করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বণিক সমিতি’র কর্মকর্তারা।

তবে কে বা কারা স্বার্থ হাসিল করছেন তা সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি তারা।এক্ষেত্রে প্রকল্পের কাজটি বন্ধ করে শহরের গোডাউন রোড থেকে রহমতখালি খালের উপর ব্রীজ ও সড়ক, পুরাতন পৌরসভা সড়ক ও ব্রীজ প্রশস্তকরণসহ বিকল্প সড়ক নির্মাণের দাবী করে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন সমিতির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর ক্যাবল নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ, মানিক মিয়া, সহ সভাপতি ছাদেকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক লোকমান হোসেন, এহতেশাম হায়দার বাপ্পি, দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুক প্রমুখ।

প্রসঙ্গত: সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন লক্ষ্মীপুর শহর সংযোগ সড়ক ও লক্ষ্মীপুর—চর আলেকজান্ডার সোনাপুর—মাইজদী সড়কের (৩.৬৫ কিলোমিটার) প্রশস্তকরণ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করে সরকার।

যা ২৮ জানুয়ারি স্থানীয় এমপি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ভার্চুয়াল ভাবে অংশ নিয়ে উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণসহ ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণের কথা রয়েছে বলে জানা যায়।