সর্বাত্মক লকডাউনের’ দ্বিতীয়  দিন, সংক্রমণরোধে গাইবান্ধার রাস্তায় পুলিশি তৎপরতা

সর্বাত্মক লকডাউনের’ দ্বিতীয়  দিন, সংক্রমণরোধে গাইবান্ধার রাস্তায় পুলিশি তৎপরতা
ছবিঃ সংগৃহীত

আবু তাহের। স্টাফ রিপোর্টার।। ১৫ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার।। করনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর থেকে সারাদেশে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়েছে।

গাইবান্ধায় বুধবার ভোর থেকে সর্বাত্মক লকডাউন' কার্যকর করার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। দ্বিতীয় দফায় আবারও বাড়ছে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু। আর তাই সংক্রমণরোধে শুরু হওয়া ‘লকডাউনে’ গাইবান্ধায় পুলিশকে দেখা গেছে হার্ডলাইনে। জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দেখা গেছে পুলিশের চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় এবং রাস্তায় বের হবার কারণজিজ্ঞাসাকরা হচ্ছে। যেসব পেশার মানুষ জরুরি সেবার সঙ্গেসম্পৃক্ত তাদের চেকপোস্ট অতিক্রম করার অনুমতি দিয়ে অন্যদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। চেকপোস্টের পাশাপাশি শহরজুড়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

‘সর্বাত্মক লকডাউন'চলাকালে বুধবার সকালে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি করোনা সংক্রমণরোধে শহরের ‘হকার্স মার্কেট’ কাঁচা বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান এবং তাদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

এসময় পুলিশ সুপার বলেন, সরকার ঘোষিত ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ মধ্যে পুলিশ সচেতনতা সৃষ্টি ও মাস্ক বিতরণের কাজ করছে। এছাড়াও যারা অকারণে যানবাহন নিয়ে ঘুরাঘুরি করছে বা অপ্রয়োজনে রাস্তায় বের হচ্ছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কারণ সন্তোষজনক না হলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

সরকারের তরফ থেকে এটিকে 'সর্বাত্মক লকডাউন' হিসেবে বর্ণনা করা হলেও গার্মেন্টসসহ শিল্পকারখানা এবং ব্যাংক খোলা রয়েছে।

এ দফায় ‘সর্বাত্মক লকডাউন' কার্যকর করতে সরকারের ১৩ দফা বিধিনিষেধে বলা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা, চিকিৎসা সেবা, মরদেহ দাফন বা সৎকার এবং টিকা নিতে যাওয়া) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না