সিলেটে এসএমএস বিড়ম্বনায় ভ্যাকসিন প্রত্যাশীরা

সিলেটে এসএমএস বিড়ম্বনায় ভ্যাকসিন প্রত্যাশীরা

সিলেট অফিস||  সিলেট নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা হেলাল আহমদ। করোনার টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন গত ৫ জুলাই। এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো টিকা নেওয়ার এসএমএস পাননি তিনি। ফলে টিকা পাবেন কি না এ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। শুধু হেলাল নন, নগরীর অন্তত ৭৫ হাজার মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করে এমএমএসের অপেক্ষায় বসে আছেন। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যায়ক্রমে সবাই টিকা পাবেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, যে হারে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তার চেয়ে অনেক বেশি গতিতে নিবন্ধন হচ্ছে। ফলে টিকাপ্রত্যাশীদের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। বর্তমানে ৭৫ হাজারের বেশি নিবন্ধন রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিনই নতুন করে নিবন্ধন হচ্ছে। এ কারণে টিকা দেওয়ার তারিখ জানিয়ে এসএমএস পেতে দেরি হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে নগরীর দুটি টিকাকেন্দ্র ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পুলিশ লাইনস হাসপাতালে প্রতিদিন ৩ হাজারের বেশি লোককে টিকার আওতায় আনা সম্ভব নয়। প্রতিদিন এই ৩ হাজারের মধ্যে নতুন নিবন্ধিত ৬০০ জনকে রাখা হয়। এ ছাড়া দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। তারপরও যারা এসএমএস না পেয়ে কেন্দ্রে যাচ্ছে, তাদেরও টিকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রথমদিকে যাঁরা রেজিস্ট্রেশন করে টিকা পাননি, তাঁদেরও টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। সিসিকের এই প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘টিকা নিবন্ধনের বয়স কমিয়ে আনার পর থেকেই ব্যাপক হারে টিকার নিবন্ধন হচ্ছে। তাই নিবন্ধনের তালিকা অনেক লম্বা হয়ে আসছে। আমাদের দৈনিক ৬০০ জনকে এসএমএস দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও নিবন্ধন হচ্ছে অনেক বেশি। এসএমএস আসতে একটু দেরি হচ্ছে। তবে দেরি হলেও সবাই টিকা পাবেন।’ এতে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।