সিলেটে ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটগুলো  বন্ধ : নগর জুড়ে আতংক

সিলেটে ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটগুলো  বন্ধ : নগর জুড়ে আতংক
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট ব্যুরো ।। 01 জুন, মঞ্গলবার।। সিলেটে গত শনিবার ৬ বার এবং রোববার এক বার ভূমিকম্পের পর মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সেই সঙ্গে এবার নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট ও ভবনগুলোর বিরুদ্ধে গত রোববার থেকে অভিযান শুরু করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। সিসিকের রোববারের নোটিশে পর গতকাল সোমবার থেকে নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটগুলো বন্ধ রয়েছে। নগর জুড়ে দেখা দিয়েছে আতংক। ইতোমধ্যে সিসিক ছয়টি মার্কেট, এক দোকান ও একটি আবাসিক ভবনকে ১০ দিনের জন্য বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। সিসিকের নির্দেশনা অনুযায়ি গতকাল সোমবার (৩১ মে) সকাল থেকে মার্কেটগুলো বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। 
এর আগে গত রোববার বিকেলে সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সিসিকের অভিযানকারী দল নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে অভিযান পরিচালনা করেছে।
সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী বলেন, সিসিক অভিযান চালিয়ে তালিকাভুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন আগামী ১০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযানও চালিয়ে যাচ্ছে সিসিক। কেউ যদি নির্দেশনা না মানেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিসিক সূত্র জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকায় রয়েছে সুরমা মার্কেট, সিটি সুপার মার্কেট, মধুবন সুপার মার্কেট, সমবায় মার্কেট, মিতালী ম্যানশন ও রাজা ম্যানশন মার্কেট। এসব মার্কেট আগামী ১০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা সিসিকের নির্দেশনা মেনে নেন।
এদিকে জিন্দাবাজারের জেন্টস গ্যালারি নামক একটি দোকান ও পনিটুলার একটি আবাসিক ভবন ১০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উত্তর পাশের কালেক্টরেট ভবন, জেলরোডস্থ সমবায় ব্যাংক ভবন, একই এলাকায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সাবেক কার্যালয় ভবন, দরগাগেটের হোটেল আজমির, টিলাগড় কালাশীলের মান্নান ভিউ, শেখঘাট শুভেচ্ছা-২২৬ নম্বর ভবন, যতরপুরের নবপুষ্প ২৬/এ বাসা, চৌকিদেখির ৫১/৩ সরকার ভবনসহ আরও কয়েকটি ভবন। এছাড়া নগরীর বহুতল আবাসিক ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে ভ‚মিকম্প আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে নিজ নিজ ফ্লাট ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে গতকাল সোমবার চলে যেতে দেখা গেছে।