সিলেট নগরে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত  মেয়রের নেতৃত্বে মহানগরের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সেল গঠন

সিলেট নগরে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত  মেয়রের নেতৃত্বে মহানগরের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সেল গঠন
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেট অফিস।। ৩০ মে, রবিবার।। কাছাকাছি কয়েকটি বিচ্যুতি (ফল্ট লাইন) থাকায় ভূমিকম্প উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ঘনঘন কয়েকটি ভূমিকম্পের কারণে জনমনে বেড়েছে আতঙ্কও। তাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।
ইতোমধ্যে নগরীতে এরকম ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন। যার মধ্যে সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ভবনও রয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে সার্ভে করে নগরীর ২৩টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর বাইরে ২৯ মে শনিবার ভূমিকম্পে হেলে পড়া আরও দুটি ভবনকে নতুন করে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, ২০১৯ সালে নগরীর ২৩টি বহুতল ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ভবনগুলো হচ্ছে- জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উত্তর পাশের কালেক্টরেট ভবন-৩, জেলরোডস্থ সমবায় ব্যাংক ভবন, একই এলাকায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সাবেক কার্যালয় ভবন, সুরমা মার্কেট, বন্দরবাজারস্থ সিটি সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজারের মিতালী ম্যানশন, দরগাগেইটের হোটেল আজমীর, বন্দরবাজারের মধুবন সুপার মার্কেট, টিলাগড় কালাশীলের মান্নান ভিউ।
এছাড়া, নগরের শেখঘাট এলাকায় শুভেচ্ছা-২২৬ নম্বর ভবন, যতরপুরের নবপুষ্প ২৬/এ বাসা, চৌকিদেখির ৫১/৩ সরকার ভবন, জিন্দাবাজারের রাজাম্যানশন, পুরানলেনের ৪/এ কিবরিয়া লজ, খারপাড়ার মিতালী-৭৪, মির্জাজাঙ্গাল মেঘনা এ-৩৯/২, পাঠানটুলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বাগবাড়ির একতা ৩৭৭/৭ ওয়ারিছ মঞ্জিল, একই এলাকার একতা ৩৭৭/৮ হোসেইন মঞ্জিল, একতা-৩৭৭/৯ শাহনাজ রিয়াজ ভিলা, বনকলাপাড়া নূরানি-১৪, ধোপাদিঘীর দক্ষিণ পাড়ের পৌরবিপণী মার্কেট ও ধোপাদিঘীরপাড়ের পৌর শপিং সেন্টার। এর মধ্যে পুরানলেনের ৪/এ কিবরিয়া লজটি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়ে মেরামত করা হয়েছে।
সিলেটে একদিনে ঘন ঘন ভূমিকম্পের প্রভাবে নগরের পাঠানটুলা ও দর্জিপাড়া এলাকায় দুইটি ৬ তলা ভবন হেলে পড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ভবন দুটি পরিদর্শন করেছে। ভবনের বাসিন্দাদের দ্রæত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 
এদিকে ঘন ঘন ভূমিকম্প হওয়ার কারণে আশংকাজনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার সাথে জরুরী সভা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ১ দিনে অল্প সময়ে অন্তত ৪ বার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের আশংকা রয়েছে। সে অনুযায়ী সিলেট সিটি কর্পোরেশন দূর্যোগ মোকাবেলায় বিশেষ পর্যবেক্ষন ও প্রস্তুতি গ্রহন করতে এই সভার আয়োজন করে।
২৯ মে শনিবার বিকেল ৪ টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জরুরী সভা থেকে নগরবাসিকে আতংকিত না হয়ে সচেতন ও দূর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
 সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
 এ পরিস্থিতিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব একটি কন্ট্রোল রুম খুলেছে। দূর্যোগ পরিস্থিতিতে সিলেট মহানগরে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সকল বিভাগ, শাখা ও দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা। খোলা হয় একটি হটলাইন। যার নম্বর ০১৯১১২৪৯৬৯৯।
 সভায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরী ভিত্তিতে সিলেটের সকল প্রশাসন, দপ্তর ও সেবা স্ংস্থা সমূহে নিজ নিজ কন্ট্রোল রুম খুলতে অনুরোধ জানানো হয়। আগামী ৭ দিনের জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন সহ সকল জরুরী সেবা সংস্থা সমূহ ও সহযোগি সকল দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কতৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় থাকার অনুরোধ জানান হয়। বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্বাস্থ্য সেবা খাত এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত সেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকার জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।  
 সিসিকের ২৭ টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষিত সেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে দূর্যোগ পরবর্তি ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনাতে প্রস্ততি মূলক ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হয়। এদিকে সিলেটের সকল সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল ক্লিনিকের দূর্যোগকালিন সময়ে চিকিৎসা সেবা দান নিশ্চিতে প্রস্তুতি গ্রহনের জন্য অনুরোধ করা  হয়েছে।  
এছাড়া সিসিকের তালিকাভূক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সমূহ থেকে নাগরিকদের নিরাপদে অবস্থানে থাকার আহবান জানান।  
সভায় উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর এসএম শওকত আমীন তৌহিদ, কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান, কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খান, কাউন্সলর আব্দুল মুহিত জাবেদ, কাউন্সিলর তাকবির ইসলাম পিন্টু, সিসিকের প্রদান প্রকৌশলী মো. নূর আজিজুর রহমান, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়, সিসিকের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) মো. আব্দুল আজিজ,  জালালাবাদ গ্যাসের ডিজিএম  (মেট্রো.) প্রকৌশলী খান মো. জাকির হোসাইন, এসএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী, সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন, ফায়ার সার্ভিস সিলেটের ভাপ্রাপ্ত উপ পরিচালক আনিসুর রহমান,  সিলেট বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক, বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলুল করিম, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. রুহুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (পানি) মো. আব্দুস সোবহান, সহকারী প্রকৌশলী জয়দেব বিশ^াস, আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের প্রতিনিধি অমর তালুকদার, সিলেট বিটিসিএল এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ ফয়েজ ছোটন, সিসিকের উপ সহকারী প্রকৌশলী তানভির আহমেদ তানিম, জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল আলিম শাহ প্রমুখ।
সিলেট নগরে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত
 মেয়রের নেতৃত্বে মহানগরের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সেল গঠন
সিলেট অফিস :
কাছাকাছি কয়েকটি বিচ্যুতি (ফল্ট লাইন) থাকায় ভূমিকম্প উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ঘনঘন কয়েকটি ভূমিকম্পের কারণে জনমনে বেড়েছে আতঙ্কও। তাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।
ইতোমধ্যে নগরীতে এরকম ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন। যার মধ্যে সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ভবনও রয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে সার্ভে করে নগরীর ২৩টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর বাইরে ২৯ মে শনিবার ভূমিকম্পে হেলে পড়া আরও দুটি ভবনকে নতুন করে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, ২০১৯ সালে নগরীর ২৩টি বহুতল ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ভবনগুলো হচ্ছে- জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উত্তর পাশের কালেক্টরেট ভবন-৩, জেলরোডস্থ সমবায় ব্যাংক ভবন, একই এলাকায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সাবেক কার্যালয় ভবন, সুরমা মার্কেট, বন্দরবাজারস্থ সিটি সুপার মার্কেট, জিন্দাবাজারের মিতালী ম্যানশন, দরগাগেইটের হোটেল আজমীর, বন্দরবাজারের মধুবন সুপার মার্কেট, টিলাগড় কালাশীলের মান্নান ভিউ।
এছাড়া, নগরের শেখঘাট এলাকায় শুভেচ্ছা-২২৬ নম্বর ভবন, যতরপুরের নবপুষ্প ২৬/এ বাসা, চৌকিদেখির ৫১/৩ সরকার ভবন, জিন্দাবাজারের রাজাম্যানশন, পুরানলেনের ৪/এ কিবরিয়া লজ, খারপাড়ার মিতালী-৭৪, মির্জাজাঙ্গাল মেঘনা এ-৩৯/২, পাঠানটুলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বাগবাড়ির একতা ৩৭৭/৭ ওয়ারিছ মঞ্জিল, একই এলাকার একতা ৩৭৭/৮ হোসেইন মঞ্জিল, একতা-৩৭৭/৯ শাহনাজ রিয়াজ ভিলা, বনকলাপাড়া নূরানি-১৪, ধোপাদিঘীর দক্ষিণ পাড়ের পৌরবিপণী মার্কেট ও ধোপাদিঘীরপাড়ের পৌর শপিং সেন্টার। এর মধ্যে পুরানলেনের ৪/এ কিবরিয়া লজটি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়ে মেরামত করা হয়েছে।
সিলেটে একদিনে ঘন ঘন ভূমিকম্পের প্রভাবে নগরের পাঠানটুলা ও দর্জিপাড়া এলাকায় দুইটি ৬ তলা ভবন হেলে পড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ভবন দুটি পরিদর্শন করেছে। ভবনের বাসিন্দাদের দ্রæত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 
এদিকে ঘন ঘন ভূমিকম্প হওয়ার কারণে আশংকাজনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার সাথে জরুরী সভা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ১ দিনে অল্প সময়ে অন্তত ৪ বার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের আশংকা রয়েছে। সে অনুযায়ী সিলেট সিটি কর্পোরেশন দূর্যোগ মোকাবেলায় বিশেষ পর্যবেক্ষন ও প্রস্তুতি গ্রহন করতে এই সভার আয়োজন করে।
২৯ মে শনিবার বিকেল ৪ টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জরুরী সভা থেকে নগরবাসিকে আতংকিত না হয়ে সচেতন ও দূর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
 সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
 এ পরিস্থিতিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব একটি কন্ট্রোল রুম খুলেছে। দূর্যোগ পরিস্থিতিতে সিলেট মহানগরে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সকল বিভাগ, শাখা ও দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা। খোলা হয় একটি হটলাইন। যার নম্বর ০১৯১১২৪৯৬৯৯।
 সভায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরী ভিত্তিতে সিলেটের সকল প্রশাসন, দপ্তর ও সেবা স্ংস্থা সমূহে নিজ নিজ কন্ট্রোল রুম খুলতে অনুরোধ জানানো হয়। আগামী ৭ দিনের জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন সহ সকল জরুরী সেবা সংস্থা সমূহ ও সহযোগি সকল দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কতৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় থাকার অনুরোধ জানান হয়। বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্বাস্থ্য সেবা খাত এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত সেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকার জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।  
 সিসিকের ২৭ টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষিত সেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে দূর্যোগ পরবর্তি ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনাতে প্রস্ততি মূলক ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হয়। এদিকে সিলেটের সকল সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল ক্লিনিকের দূর্যোগকালিন সময়ে চিকিৎসা সেবা দান নিশ্চিতে প্রস্তুতি গ্রহনের জন্য অনুরোধ করা  হয়েছে।  
এছাড়া সিসিকের তালিকাভূক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সমূহ থেকে নাগরিকদের নিরাপদে অবস্থানে থাকার আহবান জানান।  
সভায় উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর এসএম শওকত আমীন তৌহিদ, কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান, কাউন্সিলর আফতাব হোসেন খান, কাউন্সলর আব্দুল মুহিত জাবেদ, কাউন্সিলর তাকবির ইসলাম পিন্টু, সিসিকের প্রদান প্রকৌশলী মো. নূর আজিজুর রহমান, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়, সিসিকের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) মো. আব্দুল আজিজ,  জালালাবাদ গ্যাসের ডিজিএম  (মেট্রো.) প্রকৌশলী খান মো. জাকির হোসাইন, এসএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আজবাহার আলী, সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন, ফায়ার সার্ভিস সিলেটের ভাপ্রাপ্ত উপ পরিচালক আনিসুর রহমান,  সিলেট বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক, বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলুল করিম, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. রুহুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (পানি) মো. আব্দুস সোবহান, সহকারী প্রকৌশলী জয়দেব বিশ^াস, আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের প্রতিনিধি অমর তালুকদার, সিলেট বিটিসিএল এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ ফয়েজ ছোটন, সিসিকের উপ সহকারী প্রকৌশলী তানভির আহমেদ তানিম, জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল আলিম শাহ প্রমুখ।