সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন পুরষ্কার অর্জন করেছে জেলা পরিষদ সিলেট 

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন পুরষ্কার অর্জন করেছে জেলা পরিষদ সিলেট 
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট বিভাগীয় ইনোভেশন শোকেসিং- ২০২২ এ জেলা পরিষদ সিলেট " চার চাকায় ব্যাংকিং" বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইনোভেশন পুরষ্কার অর্জন করেছে । 

৮মে বুধবার বিকেলে  নগরীর রিকাবীবাজারস্হ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে সিলেট বিভাগীয় ইনোভেশন শোকেসিং- ২০২২ এর পুরষ্কার ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার  ড.মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এর হাত থেকে পুরষ্কার গ্রহন করেন জেলা পরিষদ সিলেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার সিংহ ও জেলা পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারের উদ্দ্যোক্তা জয়নাল আবেদীন। জেলা পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারের উদ্দোক্তা জয়নাল আবেদীনের উদ্ভাবিত  চার চাকার ব্যাংকিং কার্যক্রমের উপর এ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
চার চাকার ব্যাংকিং লেনদেন সিলেটে ইতিমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে । নতুন এ কার্যক্রম উপকারভোগীদের মধ্যে বেশ আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে এর মাধ্যমে বয়স্ক ও অসুস্থ লোকেরা তাদের সুবিধামত স্থান থেকে এ সেবা গ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত। নতুন এ ব্যাংকিং কার্যক্রমে ইতোমধ্যে সিলেট সদর উপজেলা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ২শত মার্চেন্ট  পয়েন্ট এর ২হাজরের বেশি  গ্রাহকের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। 
জেলা পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা জয়নাল আবেদিন সিলেট সদর উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনভুক্ত সুবিধা বঞ্চিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে চার চাকার ব্যাংকিং সেবা চালু করেন। জেলা পরিষদের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও শহর সমাজসেবা কর্মকর্তার সহযোগিতায় ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে এতে অনলাইন ডাটাবেজ থেকে/ভাতা গ্রহীতাগণের কাছ থেকে/বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে একাউন্ট খোলাসহ অসুস্থ/প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীগণ তাদের সুবিধামতস্থানে ভাতা প্রদানের উদ্যোগ নেন।  তিনি তার নিজস্ব কর্মীবাহিনী দ্বারা সিলেট সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বয়স্ক, মাতৃত্বকালিন ও প্রতিবন্ধীভাতা উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেন। বর্তমানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সকল ওয়ার্ডে  এসব ভাতা পৌঁছানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।
তাঁর এ নতুন উদ্যোগ ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলে দিয়েছে নগরবাসীর মধ্যে। যার ফলে চার চাকার ব্যাংকিং নতুন মাত্রা পেয়েছে। সব শ্রেণী-পেশার মানুষ এ সেবার সুফল ভোগ করছে। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষ। তারা নিরাপদে টাকা পেয়ে যাচ্ছে। জেলা পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারের এ উদ্ভাবন বর্তমান সরকারের ডিজিটাল উন্নয়নের এক নতুন মডেল।