সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় নারীবান্ধব বহুত্ববাদী  নান্দনিক দেশ গড়ার ডাক

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় নারীবান্ধব বহুত্ববাদী  নান্দনিক দেশ গড়ার ডাক
ছবিঃ সংগৃহীত

মো. নজরুল ইসলাম।।'২০৪১' "বাংলাদেশ হবে নান্দনিক" এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যাবস্থাপনা ও সিংগাইর  উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনা ও বারসিক এর সহযোগিতায় আজ সিংগাইর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে বিকেল ৪.ঘটিকা থেকে সন্ধা ৭.০০ ঘটিকা পর্যন্ত নারীবান্ধব বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক সমাজ বিনির্মানে সাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক সহিংসতা প্রতিরোধে উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক সন্ধা অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে মঙ্গল প্রদীপ ও উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত অতিথিদের বরন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রুনা লায়লা এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিংগাইর উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান খান হান্নান।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিংগাইর পৌরসভার চেয়ারম্যান আবু নঈম বাশার, সহকারী কমিশনার ভূমি সাম্মা লাবিব অর্ণব, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জেলা শাখার সভাপতি এ্যাড.দিপক কুমার ঘোষ, জেলা কালচারাল অফিসার সেলিনা সাঈয়েদা সুলতানা আক্তার,সিংগাইর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক  নুরুউদ্দিন আহমেদ,  উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারা খাতুন, বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল চন্দ্র রায় প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক শাকিল আহমেদ সনেট ও বারসিক কর্মকর্তা মো.নজরুল ইসলাম। 
বক্তারা বলেন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তিতে আমরা মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক শোষণ মুক্ত চেতনায় উজ্জীবিত করতে সাংস্কৃতিক জাগরণ ঘটাতেই হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে সারা দেশে  উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমির ভবন নির্মাণ করা হবে।ইতিমধ্যে  সাংস্কৃতিক জাগরণের বাতিঘর মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলার ভবন হয়েছে। শিগগিরই উপজেলায় হবে।সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ নান্দনিক হবে। নারীবান্ধব বহুত্ববাদী সাংস্কৃতিক সমাজ বিনির্মানে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই ।