সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে আই সি ইউ তে থাকা জবি শিক্ষার্থী ওয়ালিদের জন্য সহযোগিতা চাই

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে আই সি ইউ তে থাকা জবি শিক্ষার্থী ওয়ালিদের জন্য সহযোগিতা চাই
ছবি: সংগৃহীত
জবি প্রতিনিধি।। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের  অধ্যয়নরত ওয়ালিদ ইসলামের জন্য সহযোগিতা চাই সহপাঠীরা। 
গত ৩ মে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় সদা হাস্যোজ্জ্বল ওয়ালিদের মাথায় মারাত্মক আঘাত হলে তাকে ঢাকার মহাখালিতে অবস্থিত ইউনিভার্সাল (আয়েশা স্পেশাল মেমোরিয়াল) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
পরিস্থিতি আশংকাজনক হওয়ায় তাৎক্ষনিক মাথায় অস্ত্রোপ্রচার করে চিকিৎসকরা। অস্ত্রোপাচারের পর থেকে তার চিকিৎসা কার্যক্রম এখনও আইসিইউতেই অবহ্যত আছে। বর্তমানে আরও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য তাকে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এদিকে মেধাবী শিক্ষার্থী ওয়ালিদের দুর্ঘটনায় তার পরিবার, সহপাঠী ও শিক্ষকদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ওয়ালিদের জন্য দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন তার স্বজন ও সহপাঠীরা।
দায়িত্বরত চিকিৎসকের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওয়ালিদের পুরো চিকিৎসাটি খুবই সময়সাপেক্ষ এবং অত্যন্ত ব্যায়বহুল। সেই সাথে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাকে আরও দীর্ঘ সময় আইসিইউতে রাখতে হবে। 
ওয়ালিদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওয়ালিদের উন্নত চিকিৎসার আশায় তারা তাকে নিউরোসায়েন্সে এনেছে। কিন্তু পুরো চিকিৎসার খরচ তার পরিবারের পক্ষে একা বহন করা খুবই কষ্টকর। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকা চিকিৎসার জন্য খরচ হয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজারের বেশি টাকা প্রয়োজন ওয়ালিদের চিকিৎসা খরচের জন্য। 
চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়ত আর্থিক সাহায্য সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী, শিক্ষক সহ সংশ্লিষ্ট সকলে। ওয়ালিদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের (১৫তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি রামনগর, ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলায়।
ওয়ালিদের সহপাঠী বন্ধু কারিনা দত্ত আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ক্লাসের মধ্যে ওয়ালিদ আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। ওর যে এমন কোনো ঘটনা ঘটবে সেটা কখনো ভাবি নি। ঈদের পরও আমাদের দেখা করার প্ল্যান ছিলো। হুট করে কিভাবে কি হয়ে গেলো!
তিনি আরও বলেন, আইসিইউতে প্রতিদিন যে পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে সেটা তার পরিবারের একার পক্ষে বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আমরা ওয়ালিদ এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আর আমরা চাই আপনারা সবাই আমাদের পাশে দাঁড়ান। সবাইকে যার যার জায়গা থেকে ওয়ালিদের জন্য এগিয়ে আসার আহবান করছি।
ওয়ালিদের বিষয়ে কথা বলতে গেলে একাধিক মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায়নি।