সৈয়দপুরে মামলার বাদীর বাড়িতে আসামী পক্ষের আক্রমনের অভিযোগ

সৈয়দপুরে মামলার বাদীর বাড়িতে আসামী পক্ষের আক্রমনের অভিযোগ
পূর্বের মামলায় আহত ফকির দাস ও তাঁর ২ ছেলে

জাহিদুল হাসান জাহিদ।স্টাফ রিপোর্টার।। ১৭ জুন, বৃহস্পতিবার।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে পূর্বের মামলা তুলে না নেয়ায় মামলার বাদীর বাড়িতে গভীর রাতে আসামী পক্ষের লোকজনের আক্রমন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১৭জুন রাত ১২.৩০ মিনিটে সৈয়দপুর হাতিখানা মাছুয়া পাড়ার মামলার বাদীর পিতা অবসর প্রাপ্ত রেলওয়ে কর্মচারি ফকির দাসের বাড়িতে এই আক্রমনের ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর হাতিখানা মাছুয়া পাড়ার ভুটু চন্দ্র রায় এর দুই ছেলে শ্রী গৌতম চন্দ্র রায় (২২),সৈকত চন্দ্র রায় (২০), মৃতঃ পূর্ণ চন্দ্র রায়ের তিন ছেলে ভুটু চন্দ্র রায়(৪৫),মানিক চন্দ্র রায়(৩৫),কালা চন্দ্র রায়(৩০)। উল্লেখিত ব্যক্তিগনের বিরুদ্ধে গত ২০২০ সালে ফকির দাসের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ও তাঁর বড় দুই ছেলেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করে মাথা ও হাত গুরুতর জখম করে।সেই সময় তাঁরা সবাই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়।এই ঘটনায় ফকির দাসের ছোট ছেলে দিপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় মামলা দায়ের করে।সেই মামলা নং১১/৭৪ বর্তমান নীলফামারী আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।এই চলমান মামলা তুলে নিতে বিবাদীরা নানা ভাবে বাদী পক্ষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসছে।

বাদী পক্ষ মামলা না তোলায় বিবাদীরা ১৭ জুন গভীর রাতে লাঠি সোটা নিয়ে পূর্বের মামলার বাদী ও অভিযোগকারীর বাড়ির দরজা জানালায় ধাক্কা ধাক্কি করে। বাড়ির বাহিরে ডেকে মারপিট খুন জখমের হুমকি দিতে থাকে।বাদীরা বাড়ি থেকে বাহির না হলে বিবাদীগন অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ দিয়ে বলে যদি মামলা না তুলে নেয় তা হলে বিবাদীগন ভবিষ্যতে বাদী ও বাদীর পরিবারকে রাস্তা ঘাটে রাতের আধাঁরে খুন ও জখম করার হুমকি দিতে থাকে।খুন জখমের ভয়ে বাদীরা ৯৯৯ নাম্বারে পুলিশ কে কল করে।পুলিশ ঘটনা স্থলে আসলে বাদীরা ও তার পরিবার ঘর থেকে বাহির হয়।

ঘটনার রাতে কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলেও নতুন মামলায় ফাসানোর জন্য বিবাদীরা নিজেরা নিজেরা মারা-মারির নাটক সাজিয়ে পূর্বের মামলার ১নং আসামী গৌতম চন্দ্র রায় অসুস্থতার ভান করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে অভিযোগে জানা যায়।

১০০ শয্যা হাসপাতালে গৌতম এই ব্যাপারে বলেন,তাকে বাবু ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে।অথচ তার শরীরে কোন ধরনের জখমের চিহ্ন বা কোন ব্যান্ডেস দেখা যায়নি।

এই ব্যাপারে মুঠো ফোনে কর্মরত ডাক্তার আঃরহিম বলেন,গৌতম নামে একজন রোগী ভর্তি আছেন।তবে তিনি তাঁর অসুস্থার বিবরণ দিতে পারেনি।

উল্লেখ্য এর আগেও বিবাদী গৌতমরা নীলফামারী আদালতে একটি মিথ্যা পিটিশন মামলা করে।পিটিশন মামলা নং-৮৫/২০ ,এই মামলাটি আদালত কর্তৃক মিথ্যা প্রমানিত হয়।

অভিযোগকারি পূর্বের মামলার বাদী দিপু চন্দ্র দাস ও তার পরিবার দারুণ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে।

এই ব্যাপারে সৈয়দপুর থানা ইনর্চাজ (ওসি)আবুল হাসানাত খান জানান,এই ধরনের কোন অভিযোগ তিনি এখনও পাননি।