ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমিদস্যু ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমিদস্যু ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
ছবিঃ সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার, ঠাকুরগাঁও।। ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে ভূমিদুস্যু ও দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। 

বৃহস্প্রতিবার (২৩ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় ওই ইউনিয়নের আলসিয়ার বাজারে কাটাবাড়ি লায়েক জঙ্গল শ্মশান কমিটির উদ্যোগে ভূমিদস্যু ও দুষ্কৃতিকারীদের হাত থেকে শ্মশানঘাট রক্ষা পেতে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন। 


বক্তারা বলেন, আমরা প্রায় ৫০ বছর ধরে আমাদের দাদা- বাবা- মায়েদের এ শ্মশানে সৎকার করে আসছি। হঠাৎ শামসুল, নুরুল, আবুল মন্ডল সামাদ নামের কিছু ভূমিদস্যু জাল কাগজ তৈরি করে এই শ্মশানকে নিজেদের ক্রয়কৃৎ সম্প্তি বলে দাবী করছে। আমাদের কেউ মারা গেলে সেখানে তারা মৃতদেহ দাহ করতে দেয় না। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো মারধর করে এবং নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখায় আর বলে তোরা হিন্দুরা এখানে থাকবি কেন ভারত চলে যা। তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সহায়তা চান এলাকাবাসী।


কাটাবাড়ি লায়েক জঙ্গল শ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ চন্দ্র বলেন, এই শ্মশানে অনেক মানুষকে সৎকার করা হয়েছে। কালিমাতা মন্দিরে আমরা পূজা করি। প্রায় ২০টি মতো গ্রাম এই শ্মশানেই মৃতদেহ দাহ করি। আমাদের আর কোন শ্মশান নাই। কেউ মারা গেলে আমরা কথায় তাদের মৃতদেহ দাহ করব। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ করছি আমাদের আগের শ্মশানটি যেন ফেরতের ব্যবস্থা করে দেয়। 


অন্যদিকে শ্মশান দখলের ব্যাপারে সামসুল ও নুরুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কথা না বলে এড়িয়ে যায়। 
এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার বসাক, শ্মশান কমিটির সভাপতি খগেন্দ্র নাথ রায়, সাধারণ সম্পাদক সুরেশ চন্দ্র রায়সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিতেন্দ্রনাথ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে রাজী হননি। 

এবিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির বলেন, শ্মশান নিয়ে সমস্যা এমন একটি ঘটনা আমি শুনেছি। তদন্ত না করে এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না।