শারিফা সুহাসিনী মনির প্যারানরলাম রুদ্র

শারিফা সুহাসিনী মনির প্যারানরলাম রুদ্র
লেখিকা শারিফা সুহাসিনী মনি/ছবিঃ আজকাল বাংলা

আজকাল বাংলাডেস্কঃ   ২০২০-এর একুশে বইমেলায় প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস "ইনসাইড দ্যা কভার"-এর লেখিকা সুহাসিনী ।অনুভূতি জমিয়ে জীবনের গল্প লিখতে ভালোবাসেন।সেই আকাক্ষা থেকেই ইনসাইড দ্যা কভার লিখেছিলেন নিজের অপ্রকাশিত জীবনের গল্পগুলোকে সাজিয়েই।অল্প দিনেই পাঠকের মনে ভালোবাসার জায়গায় স্থান করে নিয়েছেন তিনি।
পুরো নাম শারিফা সুহাসিনী মনি। ১৯৯৭সালের ২৫শে জুলাই জন্মগ্রহন করেন ঝিনাইদহ জেলার শ্রীপুর গ্রামে।বড় হয়েছেন বাবা মায়ের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলার গহেরপুর গ্রামে।বাবা মায়ের প্রথম৷ সন্তান।বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজে রসায়ন বিষয়ে বিএসসি(অনার্স-)করছেন।

২০২১ একুশে বই মেলায় পাওয়া যাবে প্যারানরমাল রুদ্র

ছোট থেকেই বই পড়তে ভালোবাসতেন।পড়তে পড়তেই চারপাশে চোখ মেলে দেখে তার মনে হলো-এবার সময় হয়েছে কলম ধরার।করলেনও তাই।আসছে অক্টোবর-২০২০, লেখিকার দ্বিতীয় উপন্যাস বই " প্যারানরমাল রুদ্র" প্রকাশ হতে চলেছে।অক্টোবর থেকেই পাঠকেরা পেয়ে যাবেন বইটি।এছাড়া বইমেলাতেও তার ৩য় বই(প্রথম গল্পগ্রন্থ) "লাল চশমা কালো চশমা" র সাথেই পাওয়া যাবে বইটি।

মূলত সমসাময়িক জীবনের উপর ভিত্তি করে কাল্পনিক কিছু চরিত্রের সংমিশ্রণ রয়েছে পুরো উপন্যাস জুড়ে।বই নিয়ে জানতে চাইলে লেখিকার জবাব-
"একদিন সব হবে।
মিথ্যে সব জমকালো কনসার্টে
বেওয়ারিশ চিৎকারের ভিড় থেমে
হ্যান্ডমাইক হাতে নেবে
লেখক,কবি, বুদ্ধিজীবি,বৈজ্ঞানিক।
এ শহরের অলি গলি থেকে 
মাথা উঁচু করে হাসিমুখে আসবে আবার
বাঙালী জগদীশ,ওয়াজেদ কিংবা আব্দুল আলিম।

রুদ্র কখনো এইসব স্বপ্ন দেখতে জানে না।তবু ঠিকই এই সবটা হবার পেছনের গল্পটা লিখে যায় অবিরত।যতটা চামড়ার চোখে দেখা যায়-কখনো সোজা সাপ্টা জবাব,প্যারানরমাল স্বভাব,কিছু সত্যিতে পরিণত করা মিথ্যে স্বপ্ন আর পর্দার উপরে একজন লক্ষ্যহীন মুসাফির সে।তবু তাকেই রোদেলা একবুক ভালবাসা জমিয়ে নিমন্ত্রণ জানায়-রুদ্র,আমার মত যত্ন করে কেউ তোমায় ভালবাসতে পারবে না।


কিন্তু ভালোবাসার অদ্ভুত সঙ্গায় প্রিয়জনকে শাসন করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা তুলে দিয়েও নিজেকে মুসাফির গড়তে ব্যস্ত রুদ্র।
এই মুসাফিরেরই এক জটিল স্বপ্ন সত্যি হয়ে যায় অজান্তেই,যার ফলাফলস্বরুপ তাকে প্যারানরমাল মুসাফির হিসেবেই বাঁচতে শিখতে হয়।

লেখিকার প্রথম বই ইনসাইড দ্যা কভার
রুদ্র ভাবে না।কেবল ভাবায়- একদিন আমাদেরও সব হবে।একদিন, খুব অদূরের দিন।"