কক্সবাজারে ৫টি অস্ত্রসহ ২ ডাকাত আটক

কক্সবাজারে ৫টি অস্ত্রসহ ২ ডাকাত আটক
ছবিঃ সংগৃহীত

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার,৬ সেপ্টেম্বর ।। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে ৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ ২ ডাকাতকে আটক করেছে র‍্যাব-১৫।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার সময় এই অভিযান চালানো হয়। 
আটককৃতরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়ার কামাল হোসনের ছেলে হেলাল উদ্দিন (২০) ও একই এলাকার বাসিন্দা কালা মিয়ার ছেলে মো. ঈসমাইল (২৫)। এরা টেকনাফের দুর্ধর্ষ ডাকাত ফরিদুল আলম গ্রুপের সদস্য।
র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫) কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া এন্ড অপারেশন) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালী পাহাড়ে জুম্মাপাড়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ফরিদুল আলম গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন অপরাধ করার জন্য পরিকল্পনা করছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫ এর চৌকস আভিযানিক একটি দল ৬ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে হ্নীলা রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া পাহাড়ে পৌঁছেন। র‍্যাব-১৫ এর উপস্থিতি বুঝতে পেরে ছত্রভঙ্গ ৬/৭ জন সশস্ত্র ডাকাত পাহাড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা কালে ২ ডাকাতকে আটক করা হয়। অপরাপর ডাকাত সদস্যরা পাহাড়ে পালিয়ে যায়। আটকদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় অবৈধ একটি এসবিবিএল, ৪টি ওয়ানশুটার গানসহ ৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। 
র‍্যাব-১৫এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী আরও জানান, কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় ফরিদুল আলম গ্রুপ কুখ্যাত ডাকাত গ্রুপ হিসেবে পরিচিত।
উক্ত ডাকাত গ্রুপ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশ এলাকায় ডাকাতি, ধর্ষণ, অপহরণ, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
ডাকাত ফরিদুল আলম গ্রুপ শুধু ডাকাতির সাথে জড়িত নয়, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অন্যান্য ডাকাত গ্রুপের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ যোগান দিয়ে আসচ্ছিল। 
বিভিন্ন ব্যক্তিকে অপহরণের পর অপহৃতর পরিবার থেকে মুক্তিপণ আদায় করাই ছিল ডাকাত গ্রুপের নিয়মিত ঘটনা। আটককৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।