ক্লান্ত অবসন্ন এই পথ চলার -শেষ কোথায়.. ?

ক্লান্ত অবসন্ন এই পথ চলার -শেষ কোথায়.. ?
ছবিঃ সংগৃহীত
সব কিছুতেই যেন স্থবির।ক্লান্তি আর অবসন্ন পথচলা। সমাজ ও মানবকল্যানে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি নিঃস্বার্থ ভাবে।
সন্ত্রাস দমন,এলাকার আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে,মাদক মুক্ত এলাকা গঠনে প্রশাসনের সহযোগী হয়েছি একজন নিভীর্ক কলম সৈনিক হিসাবে।
শিক্ষা উন্নয়নে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে থেকে কাজ করেছি এলাকায়।
পেছনে তাকিয়ে দেখা হয়নি নিজের জন্য কি করেছি। চলার পথে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে বারং বার। মচকে গেছি ভেঙে যাইনি। থমকে যাইনি একটুও।
অন্যায় অপরাধের বিরূদ্ধে প্রতিবাদ করেছি আপোষহীন ভাবে। প্রশ্রয় দেইনি দুর্নীতি অন্যায় অবিচার ও জুলুম কে।
সমাজ সংসারের সুখ সমৃদ্ধির জন্য মাথা উঁচু করে কথা বলেছি। কথা অনুযায়ী কাজ করেছি। এ ক্ষেত্রে মৃত্যুর হুমকি এসেছে বহু বার। তবুও সাফল্য এসেছে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে।
মহান আল্লাহ্ তালার অশেষ রহমত লক্ষ্মীপুর জেলার প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সাথে সমন্বয় করে-বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসন ও আমার সহযোদ্ধাদের ঐকান্তিক সহায়তায় মিশন গুলো সাফল্য পেয়েছে।
আজ কেন যে খুব ক্লান্ত লাগছে। অবষন্ন হয়ে গেছি। এতবার মরেও বেঁচে আছি।
নিজের বেঁচে থাকার জন্য কি পেয়েছি ? এই  সমাজের কাছে আমরা কি এতটুকু সম্মান ও আশা করতে পারিনা ? 
এই দেশ এই জাতির জন্য যারা হাসি মুখে আত্মত্যাগ করেছে।বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস যারা তৈরি করেছিল। যারা নিজ ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন - তারা কি পেয়েছেন ?
সে তুলনায় আমাদের মত চুনোপুঁটিদের কিইবা পাওয়ার আছে ? 
একদিন হয়তো আমি থাকবোনা। সে দিন এই জগত সংসার একটু অভাব ও যদি আমাকে অনুভব করে তাহলে এই হতভাগার আত্মা টুকু শান্তি পাবে।
পরিশেষে এদেশ সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত হবে তবেই আমাদের মত কতিপয় প্রচেষ্টা কারীদের মনে কিছুটা শান্তি পাবে।
এস এম আওলাদ হোসেন।
 লেখক ও সাংবাদিক।