চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো কিডনি বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার 

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো কিডনি বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার 
ছবি: সংগৃহীত
এম. মতিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো।মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। শিশু-বৃদ্ধ সবার ক্ষেত্রেই কিডনির সুস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের পার্কভিউ হসপিটালে কিডনি কেন্দ্রিক এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
সোমবার (১৪ মার্চ) দুপুরে পার্কভিউ হসপিটালের কনফারেন্স হলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
পার্কভিউ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ এটিএম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউএসটিসির নেফ্রলজিস্ট বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডাঃ এম এম এহতেশামুল হক।
গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ সুস্মিতা বিশ্বাস।
কিডনি রোগ বিষয়ে সেমিনারে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন মুল আলোচক কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ মেরিনা আরজুমান্দ ও ডাঃ রফিকুল হাসান। 
প্রধান অতিথি প্রফেসর ডাঃ এহতেশামুল হক বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ কোন না কোন ভাবে কিডনী রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রায় ৪০-৫০ হাজার মানুষ ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে বেঁচে আছেন। আর্থিক অসচ্ছল, অসচেনতা, অসতর্কতা ও অবহেলার কারণে প্রতি বছর এই কিডনী রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়। তাই অসচ্ছল কিডনি রোগীদের সহয়তায় সামর্থ্যবান সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। 
সভাপতির বক্তব্যে ডাঃ এটিএম রেজাউল করিম বলেন, কিডনি রোগ একটি নীরব ঘাতক। অতি নীরবই মানুষের  দেহে বাসা বাঁধে কিডনী রোগ। বেশির ভাগ কিডনী রোগ শুরুতে প্রকাশ পায় না বিধায় অনেকেই দেহে কিডনী রোগ আছে বলে বুঝতে পারে না। যখন কিডনীর সমস্যা শুরু হয় তখন ৭০-৭৫ শতাংশই কিডনীর কার্যকারীতা নষ্ট হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, মানুষ সচেতন হলে অনেক কিডনি রোগ প্রতিরোধযোগ্য। ধূমপান কিডনীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানে যে নিকোটিন থাকে তা কিডনী সহ্য করতে পারে না। তাই অবশ্যই সুস্থ্য কিডনীর জন্য ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে। সচেতন হোন সতর্ক হোন, কিডনী রোগ প্রতিরোধ করুন।
কিডনি রোগের প্রতিরোধ ও চিকিৎসা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, পার্কভিউ হসপিটাল এ বিষয়ে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।
এ সময় সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে হসপিটালের ডাইরেক্টর ডাঃ রেজাউল করিম, জিএম তালুকদার জিয়াউর রহমান শরীফ, মার্কেটিং ম্যানেজার জাহেদুল ইসলামসহ হসপিটালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।