তন্দ্রা হারা একজন প্রেমিক কবি ডা: মো. আবুল হাসান

তন্দ্রা হারা একজন প্রেমিক কবি ডা: মো. আবুল হাসান
ডাঃ মোঃ আবুল হাসান/ ছবি- সংগৃহীত

মো. নজরুল ইসলাম: মানিকগঞ্জ।।কবি আবুল হাসান তার হৃদয় মন্দিরে একজন মানবিক রুপবতী সুন্দর মনের মানুষকে লালন করছেন। ভিতরে বাহিরে অনূভূতির অন্তরালে তাকে আগলে রাখলেও  এক ঝলক এক পলক তার সুন্দর অবয়বের প্রতিমূর্তীকে কাছে পাওয়ার জন্য তিনি এখনো আছেন ঘুমহীন। তাইতো কবি তার কবিতার শস্যভান্ডারের নামকরন করেছেন ’তন্দ্রাহারা এ আখি’,তন্দ্রা হারা এ হৃদয়’, ’তন্দ্রাবতীর সাধনায়’, ”তন্দ্রা হারার এ বেদনায় কে সাধনা করে”।

তন্দ্রাবতীকে পাওয়ার সাধনায় কবি তার কবিতার শস্যভান্ডারে বাংলা ব্যাকরন ও সাহিত্যের অসংখ্য প্রতিশব্দ,বীপরিত শব্দ ও সমার্থক শব্দের ব্যাবহার করেছেন। যেমন- প্রতিচ্ছবি,মিনতি, আঁখি, নীড়ে,ফাঁসি, প্রিয়া,গোধুলী লগন,সুপ্ত ভালবাসা,মিলন মালা,তুষের আগুন, প্রীতির নীড়, ছোঁয়া পেলে,পাষাণ শিকারী, প্রেমের সাধনা, প্রনয়ী আঁখি,পলাশ বন,পদ্ম ফোঁটা, প্রদীপ,প্রাণ আখি, পাষান পৃথিবী, প্রাণ আনচান, চৈতী হাওয়া, কামনা,প্রার্থনা,খোদা দয়েময়’। কবির জ্ঞানের উলহিয়াত দরিয়া থেকে এমন অসংখ্য শব্দরস উদয় হয়েছে। তিনি তার জীবনে প্রারম্ভের যৌবনকালে বিধাতা প্রদত্ত এক অলীক রুপবতী নারী বন্ধুর কিঞ্চিত আদর সোহাগ ও ভালোবাসা পেয়ে তিনি তার নূরের আলোতে ভষ্মিভূত হয়েছেন। এখনো তিনি সেই আলো খুজে বেরাচ্ছেন অহর্নিশি। তিনি ভালো করেই জানেন যে ইহলোকিক জীবনে তার সেই পরম বন্ধুর আলোকস্পর্শ হেনকালে পাওয়া যবে না। তারপরও তার প্রাণবন্ধুর নূরের আলোর আলোকিত হৃদয় নিংরানো ভালোবাসা দিয়ে কবিতার ছন্দ দিয়ে একে এক তিনি এক হাজার অধিক কবিতার মালা গেঁথেছেন।
কবিতার মালা দিয়ে প্রেম বিরহ ও প্রকৃতির গান গাওয়া এই অখ্যাত কবি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলাধীন বানিয়াজুরী ইউনিয়নের ভূবনেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মৃত মো. হারুনুর রশীদ,মাতা মোসা: খাদিজা খাতুন, তিনি দুই বোনের একমাত্র ভাই। মা-বাবার দুই পুত্রের মৃত্যুর পর তার জন্ম হলে পরিবারে বেশ আদর সোহাগেই বড় হন। অভিমানসহ কিছু সৃষ্টি করা ছিলো তার লক্ষ। স্কুল জীবন থেকেই গান ও কবিতা  রচনা করে গাইতে ও পড়তে পারতেন। তিনি স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে এখনো সম্পৃক্ত আছেন। বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশনের মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের অতিরিক্ত মহাসচিব হয়ে চিকিতসা পেশাকে মানবতার সেবায় রুপান্তর করে এক অনন্য উদাহারন সৃষ্টি করে এখনো নিরলসভাবে কাজ করছেন। তিনি বানিয়াজুরী ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে চাকরির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এখান থেকেই সদ্য অবসর গ্রহন করেন। বর্তমানে তার পৈত্রিকা ভিটা বানিয়াজুরী বাসস্টন্ড সংলগ্ন ডাক্তার বাড়ী খ্যাত হারুন মঞ্জিলে বসেই গরিব ও দু:খী মানুষদেরকে এবং সচ্ছল মানুষদেরও নামমাত্র টোকেন মানি নিয়ে একধরনের বিনা পয়সার চিকিতসা সেবা দিয়ে আসছেন নিরলসভাবে।
কবি ডা: মো. আবুল হাসান তার  তন্দ্রা হারা এ আঁখি গ্রন্থ্যের কিছু কথায় বলেন-  আমার মনের কিছু এলোমেলো  না বলা কথার মুকুলগুলো প্রস্ফুটিত করে ছন্দময় কবিতার মালা গাথঁতে আমাকে সহযোগীতা করেছে। আমার এলোমেলো লেখায় কেউ কষ্ট পেলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এবং অন্যদিকে কেউ বিন্দুমাত্র আত্মতৃপ্তি  লাভ করলে আমি সত্যিই ধন্য হই। যার শুভ দৃষ্টি না হলে আমার এ লিখা সৃষ্টি হইতো না,যার পরোক্ষ ও সুপ্ত অনুপ্রেরণাই আমার এ লিখা। তার দেওয়া মধুর বেদনাকে সাধনা করেই এ সৃষ্টি, আমি আজ তার কাছে চির ঋণী ও কৃতজ্ঞ। পরিবার পরিজন ও বন্ধুমহলের নি:স্বার্থ ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা আমার মনের শক্তি ও শান্তনা। আমার ছোটবেলা থেকেই ছন্দের কবিতাগুলো ছিলো খুবই পছন্দের। আমি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ বেতারের কথাকলি অনুষ্ঠানে আমার ছোট্র লেখা ছড়া কবিতা ’চাঁদ মামা’- চাঁদ মামা চাদ মামা,তুমি বড় ভালো। রাত্রিবেলা দাও তুমি মিটিমিটি আলো!----। প্রকাশিত হলে এবং বিদ্যালয়ে কবিতা প্রতিযোগীতায় আমার লিখার উৎসাহ  বেড়ে যায়। তবে লিখা হবে  এ কথা ভাবিনি,সেদিন ঘটনা প্রবাহের সরলা- ’তন্দ্রা’ দেবী মিছেমিছি ভুলবুঝে শক্তকথার তীরবাণে বিক্ষত করলে,হৃদয়ে বেদনার রক্ত ক্ষরণ দেখা দেয় আর তারই  শ্রোতধারায় আমার এ লেখার ধারাবাহিকতা। 
নি¤েœ কবির এলামেলো কবিতার কিছু অংশবিষেশ তুলে ধরা হলো-প্রতিশোধ (প্রথম কবিতা)
ধন্য হইবে সেদিন   আমার এ জীবন
তোমার আঘাতে যেদিন  হইবে মরণ
সে  মরণ  সুখ  ময়    হইবে  আমার 
শান্তি যদি পাও ওগো পরাণে তোমার
তোমার কোমল  হাতে  হইলে  মরণ  
ফুলের  ডালায়  তারে  করিবো  বরণ
আমার মরণে  যদি   ফিরে  পাও সুখ 
তোমার আপন হাতে  ভাঙ মোর বুক
তোমার আঘাতে আমি রহিবো অটল 
কাঁদিবে না আঁখি মোর ঝরিবেনা জল
কভু যদি  দেখো  জল  নয়নে আমার
অগ্নি  মূর্তি   ধারণ   করিও  তোমার
পাষাণী  করিও  মন  বধিতে  আমায়
জীবন  দিয়েছি  সপে  শুধুই  তোমায়
অনেক দিয়েছি ব্যথা  পরাণে তোমার  
কঠিন আঘাত হানো   মরমে  আমার
আমার জীবন সে তো  ধুতোরার ফুল
নয়নে “তন্দ্রা” চাওয়া  এ যে মহাভুল  
যে ফুল দিয়েছে এত তোমারে যাতনা
তাহারে পেশিয়া জোড়াও  মনোযন্ত্রণা
শুধু শুধু রোজরোজ করো কেন ক্রোধ   
পাপীর জীবন নিয়ে  লহো  প্রতিশোধ
শান্তি না হলে এতেও  তোমার পরাণ  
আমার বুকের  রক্তে   করে নিও স্নান।  
(৮-০২-১৯৭৬) 
১.প্রতিদান
পৃথিবী আমায়   অনেক দিয়েছে 
দিয়েছে যে প্রতিদান 
প্রীতির ভুবনে   হয়তো পেয়েছি 
অবারিত সম্মান
ভালোবাসা দিয়ে  দুঃখ পেয়েছি 
পেয়েছি যে গঞ্জনা
প্রিয়ার দেওয়া কিছুতো পেয়েছি 
এই বড় শান্তনা..
মিছে নহে পরিচয়
আমার আকাশে  ধ্রæব তারা হয়ে 
তুমিতো রয়েছো  হে মোর প্রিয়ে 
রহিবে যে চির কাল
তোমায়  রেখেছি  হিয়ায় ভরিয়া 
পাবেনা  কেহই  পৃথিবী  খুজিয়া 
থাকিবে যে মহাকাল
যেখানে রয়েছ  ওগো মোর প্রাণ 
তুমি কি শুনিবে   আমার এ গান 
শুনিবে কি মন দিয়া
শুনিবে না তুমি   কখনোই জানি 
দেখিবেনা এই  আঁখি ঝরা পানি 
দেখিবে না দরদিয়া..
”তন্দ্রা” আমার   আমায় চিননি

তুমি ছিলে মোর   হৃদয়  হরণী 
আমি ছিনু তব শ্যাম।
১৯-০২-১৯৮৮ ইং
লাল গোলাপের মাঝে 
লাল গোলাপের  পাপড়ি মেলে 
তুমি যখন কাছে এলে 
এলে মনের মাঝে
তোমায় আমি দেখেছিলাম 
অনেক ভালবেসেছিলাম
অনেক কথা  কইনি শুধু লাজে
বোঝনি মোর মনের ভাষা 
মিটেনি তাই প্রানের তৃষা 
নিরস ধরা ধামে
তুমি ছিলে গোলাপ রাণী 
আমার চোখে ঝরিয়ে পানি 
কাটলে সাঁতার আমার ঝরা ঘামে
লাল গোলাপের গন্ধ নিয়ে 
তুমি আছো ওগো প্রিয়ে 
হয়তো রাজ প্রাসাদে 
সুখের রাণী সুখেই আছো 
আমায় দুখে বাসিয়ে গেছো 
তোমার জন্য আজও পরাণ কাঁদে
আমার কাঁদন তোমার কাছে 
প্রীতির বাঁধন সবই মিছে 
মিছে চোখের জল
লাল গোলাপে আজও দেখি 
জুড়ায় আমার পোড়া আঁখি 
”তন্দ্রা” তুমি আর করোনা ছল।
১১-১১-১৯৮০ ইং
প্রণতি “তন্দ্রা” দ্বারে
”তন্দ্রা”হারিয়ে গেছে 
জীবন তাইতো মিছে!
বেঁচে থাকা না থাকা সমান।
তবুও বাঁচতে হবে
কী সুখ আছে এ ভবে?
না পেয়ে প্রেমের প্রতি দান।
”তন্দ্রা”হারার জ্বালা
কন্টকে গাঁথা মালা!
যে পরেছে বুঝে সেই জন।
নবীনা ”তন্দ্রা” ওরে
মিনতি দু’ হাত ধরে
ভাঙিও  না  মানুষের মন!
-------***------
০১-০৪-১৯৮১ ইং
হারিয়ে ফেলেছি যারে
আমি হারিয়ে ফেলেছি যারে 
আজ পাইনা খুজিয়া তারে 
সেজন বুঝি বসত করে
কালী গঙ্গার তীরে
ও যে ছিলো  বড় আপনার
আমি দেখি তাই বার বার
ঘুমের ঘোরে শুধুই দেখি
জাগিয়া পাইনা ফিরে
৭.-৩-১৯৮৪

নয়ন জলে
নয়ন জলে ভাসিয়ে মোরে 
হে  পাষাণী  কেমন করে 
পিছন ফেলে গেলে
হয়তো যাবে অনেক দূরে 
হিয়ার মাঝে  শুধুই ওরে 
”তন্দ্রা” হয়েই রবে
নয়ন জলে ভাসবো  আমি 
সুখের স্বপন দেখবে তুমি 
এইতো প্রেম ধারা
আর পাবোনা হয়তো দেখা 
আঁধার ঘরে  রইবো একা 
তুমি যে সুখতারা
ব্যথার মালায় ধন্য হয়ে 
সুখেই আছি মনে নিয়ে 
”তন্দ্রা”হারার জ্বালা।
০৮-০২-১৯৮৫ ইং
   অভিমানী---দেবী 
অনুপমা প্রিয়া হয়ে  এসেছিলে হায়  
   ব্যথা দিয়ে গেলে শুধু  যাবার বেলায়!
ভিখারী সাজালে মোরে  ভুবনে তোমার 
   বেদনা বিরহে বুক  ভরালে আমার।
মায়ার হরিণী তুমি  আছো মায়া বনে 
   রাখিবে কেমনে হায়   অভাগারে মনে?
নীলিমায় ছেয়ে গেছে  প্রেমের বাসর 
   ঘন রাতি আর বুঝি  হবে নারে ভোর!
প্রভাকরি ফুলে তবো  দেখেছিনু বলে 
   আজ তাই ভেসে যাই  নয়নের জলে!
মিলনে যে, এতো ব্যথা  জানিনি কখন
   সুখের বাসরে তাই  ভাঙিলে স্বপন।
লাঞ্ছিত আমি আজ   ওগো লীলাবতী 
   আমি কাঁদি তুমি হেসো এ মোর মিনতি।
দেখিয়ানা দেখো তুমি  চিনে নাহি চেনো
  যে ব্যথা সহিতে নারে  তবু ব্যথা হেনো!
বীর-নারীর জয়মাল্য  গলেতে তোমার
  পরাজিত পরাহত      জীবন আমার!!
০১-০৪-১৯৮৯ ইং
পরিশেষ আমরা বলতে পারি যে- তন্দ্রাবতীর ভালবাসায় ও সাধনায় মুহ্যমান কবির হাজার কবিতা থেকে কিঞ্চিত ছন্দের অংশবিষেশ থেকে আমরা এতটুক অবগত হই যে তিনি মূলত একজন প্রেমীক ও ভাবুক কবি,প্রকৃতি প্রেমী কবি। তিনি ইতিমধ্যে  তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে ও বেসরকারি সংগঠন বারসিকসহ সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে তার এলাকার চারপাশে প্রায় এক হাজার অধিক পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ রোপন করেছেন। কবির প্রিয় বিদ্যালয় বানিয়াজুরী ইউনিয়ন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিতরে শিক্ষার্থীদের মথ্যে সাংস্কৃতিক প্রগতিশীল ও বিজ্ঞানমনস্ক চেতনা বিকশিত করার লক্ষ্যে তিনি ’কবি নজরুল-প্রমলিা’ নামে একটি উন্মুক্ত মঞ্চ নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে তিনি সাদা মনের মানুষ মীর আবুল হোসেন স্মৃতি সংসদ সহ  কবি নজরুল প্রমীল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। প্রেম ও বিরহের একক বিষয়ের ওপর এক হাজার অধিক কবিতা বিশ্বের কোন কবি লিখতে পেরছে কি না এটি আমার জানা নেই। তার এই সৃষ্টি বিশ্ব দরবারে এক অনন্য আলোড়নের দাবি রাখে এবং গ্রিনিচ বুকে স্থান দেয়া হোক এই প্রত্যাশা করি। তিনি সহজ সরলভাবে মানুষের ভেতরে থাকা মৌলিক ধর্মীয় অনূভুতির চেতনাকেও লালন করেন। তাই চিকিতসাসেবা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের বাইরেও সামাজিকভাবে তিনি তার এলাকার মসজিদ মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষকতাসহ  সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছন। তিনি পারিবারিকভাবে সতপথে জীবন যাপন করে  যে সচ্ছলতা উপভোগ করেন। তিনি জগদিশ্বর এর প্রতি মহাখুশি। তিনি জীবনের যা পেয়েছেন তার অধিকাংশই তার পরিবার সমাজ ও দেশের ভালো কাজে ব্যায় করছেন। সামাজিক ও পারিপার্শিক নানা অসুস্থ প্রতিযোগীতায় আমরা কবিকে মুল্যায়ন করতে পারছিনা। কবির আকাঙ্কায় বুঝতে পারি তিনি সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যাশায় বিশ্বাসী নান তিনি দিয়ে আনন্দ পান নিয়ে নয়। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কবি যে কাজ করছেন তার পুরুস্কার আমরা দিতে না পরলেও তিনি নিজেই আত্মতৃপ্তির আশ্বাধন উপভোগ করেন । আমরা সমাজে এ রকম আরো কবির পদচারণা চাই। যাদের পদচারনায় সমাজে অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক চেতনা বৃদ্ব্যি পাবে। যাম মাধ্যমে আমাদেরকে নারীবান্ধব বহুত্ববাদী সামাজিক ন্যায্যতার সমাজ বিনির্মানের পথকে আরো বেগবান ও প্রশস্ত করবে। 
[ মো. নজরুল ইসলাম- লেখক গবেষক ও সাংবাদিক ]