বাউফলে ড্রাম চিমনির অবৈধ ইটভাটায়  'স'মিল !

বাউফলে ড্রাম চিমনির অবৈধ ইটভাটায়  'স'মিল !
ছবি- মোঃ ফোরকান

মো.ফোরকান,বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর বাউফলের আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাহাশ্রাদ্দি গ্রামে সড়কের পাশে লোকালয়  এইচবিসি নামের একটি অবৈধ ড্রাম চিমনির ইটভাটায় 'স'মিল বসিয়ে কাঠ কেটে পোড়ানো হচ্ছে। ইটভাটার ধোঁয়ায় গাছ, ফলমূল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। মানুষ সর্দি, কাঁশি, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিনষ্ট হচ্ছে পরিবেশ ।

আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের মাহাশ্রাদ্দি গ্রামে (কালাইয়া-নওমালা ও লোহালিয়া সড়কের হাতেম আলী মৃধা বাড়ির কাছে) পাকা সড়কের পাশে এইচবিসি নামের একটি ড্রাম চিমনির ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। বিশাল এলাকা জুড়ে এই ভাটাটি নির্মাণ করা হয়েছে। হানিফুল্লাহ নামের এক ব্যাক্তি অবৈধ ভাবে এই ইট ভাটাটি নির্মাণ করেছেন। ভাটাটির চারপাশে রয়েছে অনেক ঘনবসতি। ড্রামের চিমনি থেকে অনবরত নির্গত হচ্ছে দূষিত কালো ধোঁয়া। এই ধোঁয়ার কারণে আশপাশের বাড়ি ঘর ও গাছগাছালির রং বিবর্ণ হয়ে গেছে। ভাটার উত্তর পাশে বসানো হয়েছে 'স'মিল। 'স'মিলের পাশেই রয়েছে বিশাল কাঠের স্তুপ। কাঠগুলো এই 'স'মিল থেকে কেটে ভাটার জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ইটভাটার মালিক হানিফুল্লাহ দাবি করেছেন 'স'মিলটি তার নয়। স্থানীয় সুলতান খান নামের এক ব্যাক্তির।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি বলেন, ‘ইটভাটার মালিক হানিফউল্লাহ একজন সর্বদলীয় লোক। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সেই দলের নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করে তার স্বার্থ হাসিল করেন। প্রশাসনের লোকজনের সাথেও রয়েছে তার সখ্যতা। তাদেরকে ম্যানেজ করেই এই ঘনবসতি এলাকায় অবৈধ ভাবে তিনি ইটভাটটি স্থাপন করেছেন। ভাটার কালো ধোঁয়ায় আশপাশের লোকজন নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধ লোকজন শ্বাস কষ্টে আক্রান্ত হচ্ছেন।’ স্থানীয়রা এই অবৈধ ইটভাটাটি বন্ধের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন বলেন,‘অবৈধ ইটভাটার ব্যাপারে জেলা থেকে আমার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে। আমি তথ্য দিয়েছি।