বাউফল পোষ্ট অফিসের বেহাল দশা 

বাউফল পোষ্ট অফিসের বেহাল দশা 
ছবিঃ সংগৃহীত

মো.ফোরকান,বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা সদর পোষ্ট অফিসের অবস্থা এতটাই বেহাল যে বাহির থেকে বোঝার উপায় নাই এটা সরকারি অফিস না পরিত্যক্ত বাড়ি । কার্যালয়ের সামনের অংশ ও আশপাশ লতাপাতা,গাছপালা ও জঙ্গলে ছেয়ে গেছে। লতাপাতার ভারে নি:শ্বাস ফেলতে পারছে না ডাকঘরটি। অফিসের কর্তাব্যক্তির খেয়াল নেই। তিনি অফিসে আসেন আর যান।অফিস বন্ধ হওয়ার পর দেখা যায় ডাকঘরের চত্বরে বহিরাগতের আড্ডাখানা। আশপাশের দোকানদার পথচারীরা ওই অফিসের প্রবেশ পথে সারেন প্রস্রাবের কাজ।

সরেজমিনে দেখা গেছে,অফিসে প্রবেশ পথে,ছাদে ও আশপাশে লতাপাতা ও গাছপালায় ছেয়ে গেছে । ডাকঘরটি সংস্কারের  অভাবে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র। ছাদ দিয়ে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ায় অফিসের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বসার চেয়ার টেবিল নষ্ট হচ্ছে এবং অফিসের ছাদ ও দেয়াল ড্যাম হয়ে যাওয়ায় প্লাস্টার খসে পড়ছে। অফিস ভবনের মধ্যে পোষ্টমাস্টারের কোয়ার্টার তাও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। গ্রাহকদের বসার কোন ব্যবস্থা নেই। জরাজীর্ণ অবস্থায় চলছে ডাকঘরটির কার্যক্রম। জেনো দেখার কেহ নেই। প্রতিদিন প্রায় ৩শত লোক চিঠিপত্র ছাড়াও টাকা লেনদেন করতে আসেন এই অফিসে।
স্থানীয়রা জানান ডাকঘরটির অবস্থা খুবই করুণ অবস্থা।অফিসের চারপাশে গাছপালায় ছেয়ে গেছে । বহিরাগতদের আড্ডা খানায় পরিনত হয়েছে অফিস চত্বরে। ডাকঘরে প্রবেশ পথে পাশের দোকারদার ও পথচারিরা প্রসাব করে।
এব্যাপারে বাউফল উপজেলা সদর পোষ্টমাস্টার মোঃ ইব্রাহিম অফিস চত্বরে বহিরাগতদের আড্ডা ও প্রস্রাবের কথা স্বীকার করে বলেন,এখন নেট দেয়া হয়েছে প্রস্রাব করতে পারবে না। বর্ষার জন্য অফিসের সামনে ও আশপাশে গাছপালা ,লতাপাতা ছেয়ে গেছে।অচিরেই এগুলো পরিস্কার করা হবে।
তিনি আরো বলেন,ডাকঘরটি দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ থাকায় কক্ষগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হযে পড়েছে। ছাদ দিয়ে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ায় অফিস স্যাঁতসেঁতে হয়ে গেছে এবং দেয়াল ড্যাম হয়ে যাওয়ায় প্লাস্টার খসে পড়ছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুঘর্টনা ঘটতে পারে। শুনেছি টেন্ডার হয়েছে এব্যাপারে জেলা স্যাররা বিস্তারিত বলতে পারবেন ।
জেলা পোষ্ট অফিস পরিদর্শক আবু সালেহ মোঃ মুছা বলেন,বাউফলের পোষ্ট অফিসটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় অন্যত্র অফিস ভাড়া নেওয়া হবে। জরাজীর্ণ অফিসের ভবনটি ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য খুলনায় প্রস্তবনা পাঠানো হয়েছে।