লক্ষ্মীপুরে করোনা ভ্যাক্সিন কার্যক্রমে হাতাহাতি, দুই-যুবরেড ক্রিসেন্ট সদস্য আহত

লক্ষ্মীপুরে করোনা ভ্যাক্সিন কার্যক্রমে হাতাহাতি, দুই-যুবরেড ক্রিসেন্ট সদস্য আহত
ছবিঃ সংগৃহীত
এস এম আওলাদ হোসেন, সিনিয়র রিপোর্টারঃলক্ষ্মীপুরে করোনা ভ্যাক্সিন টিকা কার্যক্রমে উসুৎক জনতার সাথে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভলেন্টিয়ারদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ২ ভলেন্টিয়ার সদস্য সুদীপ্ত কর্মকার ও সায়মা মহসিন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। 
এতে তারা অনিদিষ্টকালে জন্য জেলায় টিকা কার্যক্রম বন্ধ রেখে জরুরি মিটিং-এর ডাক দেন।
রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা জানায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সরকার ঘোষিত ৭৫ লাখ টিকার কার্যক্রম চলছে। এর প্রেক্ষিতে আজ শনিবার প্রায় ১৫হাজার মানুষের টিকার মেসেজ এসেছে। তারা প্রায় ৬০জন ভলন্টিয়ার সদস্য কাজ করে যাচ্ছেন।
আজকে প্রচুর মানুষের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সবাইকে শৃংখলভাবে টিকা দানের জন্য আহবান করা হয়েছে।মানুষের এতো চাপ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিলো না তাদের প্রশ্ন।
আহত রেড ক্রিসেন্ট এর গণসংযোগ উপবিভাগের প্রধান সায়মা মহসিন জানান, আমরা সরকার ও স্বাস্থ মন্ত্রানালয়ের নির্দেশে এ বছরের ৭ফেব্রুয়ারী থকে ভ্যাক্সিন কার্যক্রমে কাজ করে আসতেছি, আমরা মানুষের জন্য কাজ করতে এখানে আসছি, আমরা কোনো রকম শ্রমের জন্য টাকা নেই না। কিন্তু আজকে আমাদের উপর এমন ভাবে অতর্কিত হামলায় আমরা কাজ করার মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছি। প্রশাসন থেকে আমাদের নিরাপত্তা জন্য কোনো রকম ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।
তিনি আরো জানান, ২-৩ জন লোক ভিতরের প্রবেশ করতে চাইলে তারা কার্ড দেখার জন্য বলে, এতে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে তাদেরকে ফেলে দেয় এবং একজন টানাহেঁচড়া করে ও অন্যজন কিলঘুশি দিয়ে তাদের আহত করে। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে অন্য সদস্য সুদীপ্ত কর্মকারও হামলা শিকান হন বলে দাবি করেন তারা।
জেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের উপযুব প্রধান নিজাম উদ্দিন মোহন জানান, আমরা জেলা সিভিল সার্জন অফিসে তাদের ভলেন্টিয়ারদের উপর হামলার সুষ্ঠু বিচার চাইতে গেলে তারা জানান “তোমরা নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তা নিতে হবে, আমরা নিরাপত্তা দিতে পারবো না।” কোনোভাবেই জেলা সিভিল সার্জন নিরাপত্তা দিতে পারবে না।
অন্য দিকে সদর মডেল থানার ওসি সুষ্ঠু বিচারের আশ্বস্ত করেন।
এ দিকে এমন ঘটনায় জেলা জুড়ে তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছে সামাজিক সংগঠনসহ সচেতন মানুষ।
এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিছার দাবি করেন তারা।
অন্যদিকে ভ্যাক্সিন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে সংকোচ তৈরি হয়েছে। দূর দুরান্ত থেকে আগত মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।