"শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য উন্নয়ন"

"শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য উন্নয়ন"
ছবিঃ সংগৃহীত

ফারজানা আফরিন।।শিক্ষার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছার পাঁচ সন্তানের মধ্যে শেখ হাসিনা সবার বড়। তিনি ১৯৪৭ সালের  ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৫ আগস্টের ভয়াল রাতে শেখ হাসিনা ও তার বোন  জার্মানিতে থাকায় বর্বর অত্যাচারীদের কাছ থেকে প্রাণে বেঁচে যায়।

বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি শিক্ষাখাতকে সর্বস্তরে পৌঁছে দিয়েছেন। নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন।ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বই বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন পড়ালেখার মান উন্নয়নের জন্য। নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত উপবৃত্তি ব্যবস্থা করেছেন। 

শেখ হাসিনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নতি সাধন হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতকে যুগোপযোগী করতে প্রণয়ন করা হয়েছে " জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা ২০১১"। তৃণমূল পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে ১২ হাজার ৭৭৯(১) কমিউনিটি ক্লিনিক। 
৩১২(২) উপজেলা হাসপাতালকে উন্নিত করা হয়েছে ৫০ শয্যায়। মাতৃ আর শিশু মৃত্যু হার ও জন্ম হার কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।

নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির জন্য সর্বক্ষেত্রে তাদের প্রবেশ নিশ্চিত করেছেন। পুরুষের পাশাপাশি নারীদের জন্য কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ সহজ করেছেন। নারী উদ্যোক্তাদেরকে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। শেখ হাসিনার জন্য নারীদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষুদ্র ঋন এবং পোশাক শিল্প বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করেছে। 
আজকের এই ডিজিটাল বাংলাদেশে পদার্পণের একমাত্র অবদান তাঁরই।

বাংলাদেশের এই অসামান্য অবদান রাখার জন্য নানা উপাধি দেওয়া হয়েছে। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর যোগ্য উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে উন্নয়নের মাইলফলক ও রোল মডেল।