সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বাঁশ কারিগরের সাইকেল চুরি

সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বাঁশ কারিগরের সাইকেল চুরি

স্টাফ রিপোর্টার। সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ভবন চত্বর থেকে একজন দরিদ্র বাঁশশিল্প কারিগরের বাই সাইকেল চুরি হয়েছে।

বুধবার(১২জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে দিবালোকে ব্যস্ততম স্থানে ঘটা এই চুরির ফলে উপজেলা পরিষদ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বিষয়টি মূহুর্তে চাউর হলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের কিসামতপাড়ার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে আব্দুল বারী (৪৮) জানান, ৪০ দিনের মাটি কাটা কাজে নাম তালিকাভুক্ত করতে দুপুর সোয়া ২ টায় উপজেলা অফিসে আসি। পরে মূল ফটকের পাশে আমার সাইকেলটা রেখে উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে তাঁর অফিসে সাক্ষাত করি। তাঁকে আইডি কার্ডের (জাতীয় পরিচয় পত্রের) ফটোকপি ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে বের হতেই দেখি সাইকেলটা নাই। অনেক খোঁজা খুঁজি করেও কোথাও পাইনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমি খুব গরীব মানুষ। বাঁশের কাজ করে খাই। দূর দূরান্ত থেকে কাজের অর্ডার পাইলে যাতায়াতের জন্য সাইকেলটাই ভরসা। সেটা চুরি হওয়ায় চরম বিপাকে পড়ে গেলাম। আমার পক্ষে আরেকটি পুরাতন সাইকেল কেনাও অসম্ভব। পরে বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন কে জানালে তিনি সিসি টিভি ফুটেজ দেখে চোর সনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অফিস স্টাফদের নির্দেশ দিয়েছেন।

কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরন নবী সরকার বলেন, উপজেলা চত্বর থেকে এভাবে দিনে দুপুরে চুরির ঘটনা ভালো নজির নয়। আব্দুল বারী খুবই নিরীহ ও দরিদ্র মানুষ। তাই তাকে ৪০ দিনের কাজে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করেছি। কিন্তু সেই কাজে গিয়ে সে ক্ষতির মুখে পড়লো। তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসন বা পরিষদ তার একটা সাইকেলের ব্যবস্থা করে দিলে সে খুব উপকৃত হবে। এজন্য প্রয়োজনে ইউএনও স্যার ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে অনুরোধ জানাবো।

 একটি সূত্রমতে, উপজেলা পরিষদ ভবনের আশেপাশে মাদকাসক্তদের সবসময় আড্ডা। এমনকি সন্ধার পর চত্বরের ভিতরে কৃষি অফিস ও নির্বাচন অফিসের পিছনে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করে। তাদের কেউ এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। সিসি টিভি ফুটেজ দেখে এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। নয়তো এমন ছিচকে চুরি আরও হতে পা